রোযার ফজিলত

 রোযার ফযীলত




আল্লাহ তায়ালা রমযানকে আমাদের জন্য ফরজ করেছেন। এবং ইহার ফজিলত সম্পর্কে কুরআন ও হাদীসে বিভিন্ন বর্ণনা এসেছে। আমরা আমাদের এ পোস্টের মাধ্যমে রমযানের ফজিলত সম্পর্কে জানতে পারব ইনশা-আল্লাহ।

এ পোস্টটির মধ্যে যা রয়েছে...

  • রমজানে জান্নাতকে সুসজ্জিত করা হয়
  • ইফতারকালে জাহান্নমীদেরকে মুক্তিদান
  • চাঁদ রাত্রি এবং ঈদের সকাল
  • উম্মতে মোহাম্মাদীর জন্য রমযানের পাঁচটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য
  • রমযান পূর্ণ বছরের কাফফারা
  • লাইলাতুল ক্বদর: হাজার মাসের তুলনায় উত্তম রাত্রি
  • রমযানের বরকতসমূহ

রমজানে জান্নাতকে সুসজ্জিত করা হয়

হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহি আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেন, রমজান মাস আগমন উপলক্ষ্যে বছরের শুরু থেকেই জান্নাতকে সাজানো হয় এবং সুগন্ধিতে ভরিয়ে তোলা হয়। রমজানের প্রথম রাতে আরশের নিচ থেকে এক ধরনের ¯িœগ্ধ বায়ু প্রবাহিত হয়, যাকে মুছিরা বলা হয়। সে বাতাসে জান্নাতের বৃক্ষ ও দরজাসমূহ কেঁপে উঠে শব্দ করতে থাকে। তখন এমন মধুর শব্দ ভেসে আসে, যার থেকে উত্তম শব্দ কেউ শোনেনি। ডাগর চোখের হূরগণ জান্নাতের কিনারায় এসে বলতে থাকবে, আল্লাহর নিকট আমাদের জন্য বিয়ের প্রস্তাবকারী কেউ আছে, যার সঙ্গে তিনি আমাদেরকে বিয়ে দেবেন? অত:পর জান্নাতের প্রধান প্রহরী রেযওয়ানকে ডেকে বলবে, রেযওয়ান, আজ কিসের রাত? সে তাদের ডাকে সারা দিয়ে বলবে, হে সুন্দরী ও কল্যাণময়ী নারীগণ, আজা রমজানের প্রথম রাত।

আল্লাহ রেযওয়ানকে ডেকে বলবেন, রেযওয়ান মুহাম্মাদের উম্মতের রোযাদারদের জন্য জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দাও। জাহান্নামের প্রহরী মালেককে ডেকে বলবেন, হে মালেক মুহাম্মাদের উম্মতের রোযাদারদের জন্য জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দাও। জিবরাইলকে ডেকে বলবেন, হে জিবরাইল যমীনে অবতরণ কর এবং দুষ্ট শয়তানদেরকে আটক করে বেড়ি পরিয়ে সমুদ্রের গভীরে নিক্ষেপ কর, যাতে তারা আমার প্রিয় মুহাম্মাদের উম্মতের সিয়াম পালনে বিশৃঙ্খলা করতে না পারে। আল্লাহ রমজানের প্রতি রাতে তিনবার ডেকে বলেন, আছে কোন প্রার্থনাকারী, যাকে তার প্রার্থিত বস্তু দান করব? কোনো তওবাকারী আছে, যার তওবা কবুল করব? আছে কোন এস্তেগফারকারী, যার জন্য মাগফিরাতের ফায়সালা করব? অত:পর একজন ঘোষক ঘোষণা করে: কে আল্লাহকে ঋণ দেবে, যিনি অঢেল ধন-সম্পদের অধিকারী,পূর্ণদানে যিনি অবিচার করেন না?

ইফতারকালে জাহান্নমীদেরকে মুক্তিদান

রমজানের প্রতি দিবসের ইফতারের সময় আল্লাহ তায়ালা দশ লক্ষ জাহান্নামীকে মুক্তি দান করেন, যাদের জন্য জাহান্নামের শাস্তি অবধারিত হয়ে গিয়েছিল। জুমআর রাতে ও দিনে আরো দশ  লক্ষ জাহান্নামীকে মুক্তি দান করেন, যাদের জন্য জাহান্নামের শাস্তি অবধারিত হয়ে গিয়েছিল। রমজানের শেষ দিবসে পুরো মাসজুড়ে মুক্তি পাওয়া ব্যক্তিদের সমসংখ্যক ব্যক্তিকে জাহান্নামের আযাব থেকে মুক্তি দেন।

লাইলাতুল ক্বদরে আল্লাহর নির্দেশে জিবরাইল (আ.) একদল ফেরেশতা সহ পৃথিবীতে অবতরণ করেন। তার সঙ্গে থাকে সবুজ ঝান্ডা, যা তিনি কাবার উপরে স্থাপন করেন। তার রয়েছে ছয়শত ডানা। যার দুটি কেবল লাইলাতুল ক্বদরে প্রসারিত করেন। ডানা দুটি প্রসারিত করলে পূর্ব-পশ্চিম ছাড়িয়েযায়। জিবরাইল ফেরেশতাগণকে উম্মতের মধ্যে ছড়িয়ে দেন, তারা দাঁড়িয়ে-বসে থাকা, নামাজ ও যিকিররত সকলকে সালাম প্রদান করেন, মুসাফাহা করেন এবং তাদের দোয়ায় আমীন বলেন। সুবহে সাদিক পর্যন্ত এ কাজ অব্যাহত থাকে।

সুবহে সাদিক উদিত হওয়ার পর জিবরাইল ফেরেশতাদেরকে ডেকে বলেন, হে ফেরেশতাগণ, ফিরে চলো, ফিরে যাও! তখন তারা বলতে থাকেন, হে জিবরাইল আল্লাহ তায়ালা মুহাম্মাদের উম্মতের প্রয়োজন ও হাজতসমূহের ব্যাপারে কি করলেন? তিনি বলেন, আল্লাহ তাদের প্রতি দৃষ্টি প্রদান করেছেন, এবং চার ব্যতীত সকলকে ক্ষমা ও মাগফেরাতে ভূষিত করেছেন। ফেরেশতাগণ বলে, এ চার ধরনের ব্যক্তি কারা? তিনি বলেন:

১. মদে অভ্যাস্ত

২. পিতা-মাতার অবাধ্য সন্তান

৩. আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী

৪. এবং যে তিন দিনের অধিক সময় তার ভায়ের সঙ্গে কথা বলে না।

চাঁদ রাত্রি এবং ঈদের সকাল

চাঁদ রাতকে বলা হয় পুরস্কারের রাত্রি। ঈদের সকালে ফেরেশতাদেরকে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়। তারা যমীনে নেমে আসেন এবং গলির মুখে মুখে দাঁড়িয়ে উচ্চ আওয়াজে বলতে থাকেন, সে আওয়াজ জিন-ইনাসান ব্যতীত সকলে শুনতে পায়। তারা বলে, হে মুহাম্মাদের উম্মত! দয়াময় রবের নিকট বেরিয়ে এসো, তিনি বিপুল দান করেন এবং বড় পাপও ক্ষামা করে দেন।

লোকেরা ঈদগাহে উপস্থিত হলে আল্লাহ তায়ালা ফেরেশতাদেরকে বলেন: হে ফেরেশতাগণ, শুমিক কাজ সমাপ্ত করার পর তার প্রতিদান কি, তারা বলেন, হে রব হে মনিব, তার প্রতিদান হলো পারিশ্রমিক পূর্ণরুপে দান করা। তখন আল্লাহ বলেন, ফেরেশতাগণ আমি তোমাদেরকে সাক্ষী রেখে বলছি, রমজান জুড়ে রোযা ও ইবাদতের বিনিময়ে আমি তাদেরকে আমার সন্তুষ্টি ও মাগফেরাত দান করছি। অত:পর আল্লাহ বলেন, হে বান্দাগণ, তোমরা আমার নিকট চাও। আজ তোমরা দ্বীন ও দুনিয়ার যাই চাও , আমি তোমাদেরকে তাই  দান করব।

উম্মতে মোহাম্মাদীর জন্য রমযানের পাঁচটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য

হযরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) এরশাদ করেছেন, রমজানে আমার উম্মতকে পাঁচটি বৈশিষ্ট্য দান করা হয়েছে, যা পূর্বের কোন উম্মতকে দান করা হয়নি।

১. রোজাদারের মুখের দুর্গন্ধ আল্লাহর নিকট মেশকের সুঘ্রাণ থেকেও উত্তম।

২. ইফতার পর্যন্ত ফেরেশতাগণ তাদেরকে মাগফিরাতের দোয়া করতে থাকেন।

৩. এ মাসে দুষ্টু শয়তানদেরকে বন্দী করে রাখা হয়। অন্য মাসে তারা যা করতে সক্ষম এ মাসে তারা তা করতে পারে না।

৪. আল্লাহ তায়ালা প্রতি দিবসে নতুন সাজ-সজ্জা দান করেন এবং বলেন, অচিরেই আমার সৎকর্মশীল বান্দাগণ আপন আপন দু:খ কষ্ট ছুড়ে ফেলে তোমার কাছে এসে বিশ্রাম নিবে।

৫. সর্বশেষ রাত্রিতে তাদেরকে মাগফেরাত প্রদান করা হয়।

প্রশ্ন করা হলো, হে আল্লাহর রাসূল, সেই রাত কি কদরের রাত? তিনি বললেন না। নিয়ম হচ্ছে শ্রমিক তার কাজ সমাপ্ত করার পর তাকে প্রাপ্য বুঝিয়ে দেয়া।

হযরত আবু হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত রাসলুল্লাহ (সা.) তার সাহবীগণকে সুসংবাদ প্রদান করে বলেন, তোমাদের নিকট রমজান মাস উপস্থিত হয়েছে। এক হচ্ছে বরকতময় মাস, আল্লাহ তাতে রোজা রাখা তোমাদের উপর ফরজ করেছেন। এ মাসে জান্নাতের দরজাসমূহ উন্মুক্ত রাখা হয়, বন্ধ করে দেয়া হয় জাহান্নামের দরজাসমূহ। দুষ্টু শয়তানদেরকে বেড়ি পড়িয়ে রাখা হয়। এতে রয়েছে ক্বদরের রাত্রি, যা হাজার মাস থেকেও উত্তম। 

রমযান পূর্ণ বছরের কাফফারা

হযরত খায়সামা বলেন, উম্মতের মহান ব্যক্তিরা বলতেন, এক রমযান থেকে অপর রমযান, এক জুমআ থেকে অপর জুমা এবং নামায থেকে অপর নামায কবীরা গুনাহ ব্যতীত মধ্যবর্তী সময়ের যাবতীয় পাপের কাফফারা।

রমযান মাস উপস্থিত হলে হযরত উমর (রা.) বলতেন, আমাদেরকে পবিত্রকারী মাসকে স্বাগতম। রমযানের পুরোটাই কল্যাণময়। এর দিবসগুলো রোযা দ্বারা শোভাময় এবং রাতগুলো ইবাদতে পরিপূর্ণ। এ মাসের ব্যয় আল্লাহর রাস্তায় ব্যয়ের সমতুল্য।

হযরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন, আল্লাহ তায়া বলেছেন, মানুষ যে ভাল কাজই করে আল্লাহ তা দশ থেকে সাতশ গুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেন। তবে রোযার বিনিময় আমি স্বয়ং দান করি। কারণ সে আমার জন্য তার প্রবৃত্তিকে দমন করেছে, পানাহার বর্জন করেছে। রোযা হচ্ছে ঢাল স্বরুপ। রোযাদ্বারের দুটি আনন্দ: ইফতারকালের আনন্দ এবং কেয়ামত দিবসে তার রবের সাক্ষাতের আনন্দ।

লাইলাতুল ক্বদর:
হাজার মাসের তুলনায় উত্তম রাত্রি

হযরত সালমান ফারসি (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শাবানের শেষ দিবসে আমাদেরকে নসীহত করে বললেন, হে লোকসকল! তোমাদের নিকট এক মহান বরকতময় মাস হাজির হয়েছ। তাতে রয়েছে লাইলাতুল ক্বদর। তা হাজার মাসের চেয়ে উত্তম। এ মাসে আল্লাহ দিবসে রোযা ও রাতে তারাবীহের কিয়ামের বিধান দিয়েছেন। এ মাসে কল্যাণকর্মের মাধ্যমে একটি নেকি করলে অন্য সময়ের একটি ফরজের সমান সওয়াব পাবে। আর যে একটি পরজ আদায় করল সে যেন অন্য সময়ের সত্তরাট ফরজ আদায় করল। এ মাস ধৈর্যের, সহমর্মিতার। ধৈর্যের প্রতিদান হচ্ছে জান্নাত। এ মাসে মুমিনের রিজিক বাড়িয়ে দেয়া হয়। এ মাসে যে  ব্যক্তি রোযাদারকে ইফতার করাবে, সে একটি দাস মুক্ত করার সমান সওয়াব পাবে এবং তার পাপের জন্য মাগফেরাত লাভ করবে।

আমরা বললাম হে আল্লাহর রাসূল রোযাদারকে ইফতার করানোর সামর্থ্য আমাদের প্রত্যেকের নেই। রাসূল বললেন, দুধ কিংবা একটি খেজুর অথবা এক ঢোক পানি পান করিয়েও যে রোযাদারকে ইফতার করাবে আল্লাহ তাকে এ সওয়াব দান করবেন। যে রোযাদারকে তৃপ্ত করবে তার যাবতীয় গোনাহ মাফ হয়ে যাবে এবং আল্লাহ তাকে আমার হাউজ থেকে পান করাবেন, যার পর সে জান্নাতে প্রবেশ পর্যন্ত আর পিপাসার্ত হবে না। এবং সে উক্ত রোযাদারের সমান সওয়াব লাভ করবে, এতে রোযাদারের সওয়াবে কোন কমতি হবে না।

এ মাসের প্রথম (দশদিন) হচ্ছে রহমত, মধ্যবর্তী (দশদিন) মাগফিরাত এবং শেষ (দশদিন) জাহান্নাম থেকে মুক্তির। এ মাসে যে ব্যক্তি তার অধীনস্থের কাজ কমিয়ে দেবে আল্লাহ তাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিবেন।


রমযানের বরকতসমূহ

হযরত ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, যে ব্যক্তি রমযানে রোযা রাখবে এবং নিরবতা অবলম্বন করবে, আল্লাহর জিকির করবে, হালালকে হালাল জানবে, হারামকে হারাম গণ্য করবে এবং কোন অশ্লীল কর্মে নিজেদেরে জড়াবে না, সে মাস শেষে এমন পূত পবিত্র হয়ে যাবে যে, যেন তার যাবতীয় পাপ ক্ষমা হয়েছে। তার প্রতিটি তাসবীহ তাহলীলের বিনিময়ে জান্নাতে একটি সবুজ পান্না পাথরের বাড়ী বানানো হবে, যার মাঝখানে থাকবে একটি লাল ইয়াকুত। তাতে থাকবে ডাগর নয়না এক সঙ্গিনী।

হযরত ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি  ওয়া সাল্লাম রমযান মাস ঘনিয়ে এলে এরশাদ করেন, রমযানের কি ফজিলত রয়েছে , যদি বান্দারা তা জানত, তবে আমার উম্মত পুরো বছর জুড়ে এ বিধানের আকাঙ্খা করত।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, রজব হচ্ছে আমার উম্মতের মাস। অন্যান্য মাসের উপর এ মাসের শ্রেষ্ঠত্ব হচ্ছে অন্যান্য উম্মতের উপর আমার উম্মতের শ্রেষ্ঠত্বের মত। শাবান হচ্ছে আমার মাস, অন্যান্য মাসের উপর এ মাসের শ্রেষ্ঠত্ব হচ্ছে অন্যান্য নবীর উপর আমার শ্রেষ্ঠত্বের মত। রমযান হচ্ছে আল্লাহর মাস, অন্যান্য মাসের উপর এ মাসের শ্রেষ্ঠত্ব হচ্ছে  সৃষ্টিকুলের উপর আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্বের মত।

হযরত হাসান (রা.)  থেকে বর্ণিত। রাসূল (সা.) একদিন বের হয়ে দেখতে পেলেন মানুষ একে অপরের সঙ্গে ঝগড়ায় লিপ্ত। তখন তিনি বললেন, লাইলাতুল ক্বদর সম্পর্কে তোমাদের জানাতে বের হয়েছিলাম। তবে আমি আশঙ্কা করছি যে, তোমরা এর উপর ভরসা করে অন্যান্য রাতে আমলের ব্যাপারে অলসতা করবে। তা অতি কল্যাণময় রাত্রি, সুতরাং শেষ দশ রাতে, কিংবা অবশিষ্ট নয় রাতে, কিংবা অবশিষ্ট সাত রাতে, কিংবা অবশিষ্ট পাঁচ রাতে, কিংবা অবশিষ্ট তিন রাতে কিংবা শেষতম রাতে তা তালাশ কর।

তার আলামত হচ্ছে সে রাত হবে পরিষ্কার ও ঝকঝকে। তাতে অতি ঠান্ডা থাকবে না এবং অতি গরমও থাকবে না। ভোরে যখন সূর্য উদিত হবে, তখন তার আলোর বিচ্ছুরণ থাকবে না। যে এ রাতে ঈমানের সাথে সওয়াবের আশায় কিয়াম করবে, আল্লাহ তার ইতিপূর্বের যাবতীয় পাপ ক্ষমা করে দেবেন।

আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে রমযানের ফজিলত বুঝে রমযানের হক্ব আদায়ের তাওফীক দান করুন, আমীন।।

[বি.দ্র: লেখার মধ্যে মুদ্রণজনিত কোন ভুল ধরা পড়লে আমাকে জানিয়ে কৃতজ্ঞ করবেন।]



Post a Comment (0)
Previous Post Next Post