এলকোহল মিশ্রিত ঔষধ ও সেন্টের বিধান
ঔষধ মানুষের অন্যতম প্রয়োজনীয় বস্তু। আর বর্তমানে সেন্ট মানুষের বহুল ব্যবহৃত একটি সামগ্রী। কিছু ঔষধ ও সেন্টে এলকোহল ব্যবহার করা হয়। এলকোহল একটি নেশা সৃষ্টিকারী তরল পদার্থ। নেশা সৃষ্টিকারী তরল বস্তু সাধারণত হারাম ও নাপাক হয়ে থাকে। তাই এলকোহল মিশ্রিত ঔষধ ও সেন্টের ব্যাপারে এই প্রশ্ন জাগে যে, তা কি হারাম ও নাপাক হবে? বক্ষ্যমাণ প্রবন্ধে এলকোহল মিশ্রিত ঔষধ ও সেন্টের শর‘য়ী বিধান আলোচনা করা হবে। প্রথমে এলকোহলের পরিচয়, প্রকারভেদ ও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে, যাতে মূল বিষয়ের হুকুম বুঝতে সুবিধা হয়।
এলকোহলের পরিচয় ও প্রকারভেদ
এলকোহল হলো রঙহীন এমন তরল পদার্থ যা বাষ্প হয়ে উড়ে যায়। আর তা গঠিত হয় তিন প্রকারের গ্যাস তথা কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের সমন্বয়ে।৯৬৩এলকোহলের বহু প্রকার আছে। তবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় দুই প্রকার: মিথাইল ও
ইথাইল।
১. মিথাইল এলকোহল অন্যান্য প্রকারের তুলনায় বিষাক্ত ও নেশা সৃষ্টিকারী। যদি এই এলকোহল পান করা হয়, তাহলে এর দ্বারা অন্ধত্ব সৃষ্টি হতে পারে, এমনকি মৃত্যুও হতে পারে। পেইন্ট ও কাঠের পলিশকে গলানোর জন্য এটি ব্যবহৃত হয়। বিভিন্ন আতর এবং ঔষধ গলানোর ধাতু হিসেবেও এর ব্যবহার রয়েছে।
২. ইথাইল এলকোহলও নেশাসৃষ্টিকারী। খুব দ্রæতগতিতে তা বাষ্প হয়ে উড়ে যায়। এটা শরাবের মাঝে নেশা সৃষ্টির মূল উপাদান। সাধারণ এলকোহল পানি থেকে হালকা হয় এবং পানির মধ্যে মিশে যায়।
বর্তমানে এলকোহল বিভিন্নভাবে ব্যবহার করা হয়। বিশেষ করে পেইন্ট, ঔষধ, রঙ, সাবান ইত্যাদি বানানোর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। ইথাইল জীবাণুু দূর করা ক্ষতস্থান পরিষ্কার ও সিরিঞ্জ পরিষ্কার করার জন্য ব্যবহৃত হয়। কোন যৌগিক পদার্থকে (বিভিন্ন বস্তু দিয়ে যা তৈরি হয়) তরল রাখার জন্য ব্যবহার করা হয়। হোমিওপ্যাথিক ঔষধে দ্রুত ক্রিয়া সৃষ্টির জন্যে এবং এলোপ্যাথিক ঔষধে চেতনাবোধ হ্রাস করার জন্য ইথাইল ব্যবহার করা হয়।
এলকোহলের বৈশিষ্ট্য
উল্লিখিত আলোচনার মাধ্যমে এলকোহল সম্পর্কে যেসব ফলাফল বের হয়, তা নিম্নরূপ-
১. এলকোহল একটি নেশা সৃষ্টিকারী বস্তু।
২. তরল পদার্থে ঝাঁজ সৃষ্টিকারী।
৩. যৌগিক পদার্থ তরলকারী বা তরল পদার্থের তরলতা দীর্ঘায়িতকারী।
এলকোহল মিশ্রিত ঔষধ ও সেন্টের বিধান
এলকোহলের মূল জটিলতা হলো, এটা নেশা সৃষ্টিকারক উপাদান। আর নেশা সৃষ্টিকারী যে কোন জিনিসের প্রতি শরী‘আত সবিশেষ সর্তকতা অবলম্বন করে থাকে। আর এলকোহল নেশা সৃষ্টিকারী হওয়ায় এর শর‘য়ী বিধান স্থির হবে মদ ও শরাবের সাথে মিল রেখে অর্থাৎ শর‘য়ী হুকুম স্থির হওয়া নির্ভর করবে এলকোহল তৈরির উপাদানের উপর। আর উপাদানের দিক থেকে এলকোহল দু’ধরনের।
প্রথম প্রকার : আঙ্গুরের কাচা রস বা জ্বাল দিয়ে ঘনকৃত রস, খেজুর ও কিশমিশ দ্বারা তৈরি এলকোহল।
উল্লিখিত উপাদান দিয়ে তৈরি পানীয় সকল ফিকাহবিদের মতে মদের অন্তর্ভুক্ত এবং হারাম। সুতরাং মদের ক্ষেত্রে যে সমস্ত বিধান রয়েছে তা এখানেও প্রযোজ্য। যেমন নাপাক হওয়া, হারাম হওয়া, লেনদেন অবৈধ হওয়া ইত্যাদি। হাদীস শরীফে উল্লেখ আছে-
قال رسول الله : الخمر من هاتين الشجرتين النخلة والعنبة
“রাসূলুল্লাহ বলেছেন, ‘দুই প্রকার বৃক্ষ থেকে মদ তৈরী হয়। তা হলো খেজুর ওআঙ্গুর।” মদের লেনদেন হারাম হওয়ার ব্যাপারে হাদীস শরীফে এসেছে, ইবনে আব্বাস রাযি. থেকে বর্ণিত-
قال رسول الله ان الذي حرم شرابها حرم بيعها
“রাসূলুল্লাহ বলেছেন, ‘নিঃসন্দেহে যিনি (আল্লাহ তা‘আলা) মদ পানকে হারাম করেছেন, তিনি মদ বিক্রিকেও হারাম করেছেন।”
আল্লামা আলী আল মারগীনানী রাহ. মদের প্রকার ও হুকুম সম্পর্কে বলেন-
الأشربة المحرمة أربعة: الخمر وهي عصير العنب إذا غلى واشتد وقذف بالزبد، والعصير ط إذا بخ حتى
يذهب من أقل ثلثيه وهو الطلاء... ونقيع التمر وهو السكر، ونقيع الزبيب
وكل الثلاثة المذكورة حرام بالإجماع إذا غلى واشتد
“হারাম পানীয় চার প্রকার।
১. খমর অর্থাৎ আঙ্গুরের রস যখন ঘন হয়ে ফেনাযুক্ত অবস্থায় পৌঁছায়, তখন তা খমর বা মদ বলে গণ্য হয়।
২. তিলা অর্থাৎ আঙ্গুরের রস যখন জ্বাল দেয়ার দ্বারা দুই তৃতীয়াংশের কম শুকিয়ে যায়।
৩. সুক্র অর্থাৎ খেজুর ভিজিয়ে রেখে তৈরিশরবত।
৪. কিশমিশ ভিজিয়ে রেখে তৈরি শরবত। (প্রথম প্রকার সর্বাবস্থায় হারাম।) আর শেষোক্ত তিন প্রকার যখন ঘন হবে তখন তা সর্বসম্মতিক্রমে হারাম হবে।” মদ নাপাক হওয়ার ব্যাপারে ফাতাওয়ায়ে আলমগীরীতে আছে-
هي نجسة غليظة كالبول والدم
“মদ, পেশাব ও রক্তের ন্যায় অত্যাধিক নাপাক।” সুতরাং প্রথম প্রকার আঙ্গুরের রস দিয়ে তৈরি এলকোহল মিশ্রিত সেন্ট হারাম ও নাপাক, যা ব্যবহার করা নাজায়েয। যেমনটি ফাতাওয়ায়ে আলমগীরীতে আছে-
إذا في طرح الخمر ريحان، يقال : له سوسن حتى توجد رائحته، فلا ينبغي أن يدهن أو يتطيب بها، ولا
يجوز بيعها
“যখন মদের সুবাস অনুভব করার জন্য সুগন্ধিযুক্ত ফুল ঢেলে দেয়া হয় যাকে সাওসান (এক প্রকার ফুলের গাছ) বলা হয় তখন তা থেকে তেল লাগানো কিংবা সুগন্ধি হিসেবে ব্যবহার করা জায়েয নেই এবং তা বিক্রি করাও নাজায়েয।” তবে উল্লিখিত উপাদান দ্বারা তৈরী এলকোহল মিশ্রিত সেন্ট ব্যবহার করা জায়েয হবে যদি উক্ত উপাদান থেকে নেশা সৃষ্টিকারী শক্তিকে লবণ ইত্যাদি দ্বারা বিনষ্ট করা হয়।
إذا أما خلله بعلاج بالملح أو بغيره يحل عندنا
“যদি লবণ বা অন্য কিছু ব্যবহার করে মদকে সিরকা বানানো হয়, তাহলে হানাফী ফকীহগণের মতে তা হালাল বলে গণ্য হবে।”৯৭১এক্ষেত্রে আমরা অভিজ্ঞদের শরণাপন্ন হতে পারি যে, কোন কোন বস্তু দ্বারা নেশা সৃষ্টিকারী শক্তি বিনষ্ট করা হয় এবং সেন্ট বা ঔষধের ক্ষেত্রে তা ব্যবহার করা হয় কি না? এমনিভাবে যদি এলকোহলের প্রকৃত অবস্থা বহাল না থাকে, বরং তার সাথে অন্য কোন বস্তু মিশ্রণের ফলে প্রকৃত অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় রূপান্তরিত হয়, তাহলে এমন এলকোহল মিশ্রিত সেন্টও ব্যবহার করা যাবে। কেননা, তখন এলকোহলের হাকীকত (মূল অবস্থা) পরিবর্তিত হয়ে যায়। আর নাপাক বস্তুর মূল অবস্থা পরিবর্তন হয়ে গেলে তা আর নাপাক থাকে না। যেমন ফাতাওয়ায়ে শামীতে আছে-
حمار في وقع مملحة فصار ملحا... فإن ذلك... انقلاب حقيقة إلى حقيقة أخرى
“গাধা লবণের খনির মধ্যে পড়ে গিয়ে লবণ হয়ে গেলে সে লবণ পাক বলে গণ্য হবে।কারণ গাধার রূপ পরিবর্তন হয়ে লবণে পরিণত হয়েছে।”
দ্বিতীয় প্রকার: জব, মধু, বরই, আলু, আঁখ ও আপেল ইত্যাদি উপাদান দিয়ে যে এলকোহল বা যেসব নেশা জাতীয় দ্রব্য তৈরী করা হয় সেগুলোও অধিকাংশ ফকীহের মতে মদের অন্তর্ভ্ক্তু এবং তা হারাম ও নাপাক। হানাফী ফকীহদের মধ্যে ইমাম মুহাম্মদ রাহ. এর মতেও মদের অন্তর্ভুক্ত ও হারাম, পরিমাণে তা কম হোক বা বেশি হোক। যেমন আল্লামা আলাউদ্দীন হাসকাফী রাহ. বলেন-
حرمها محمد أي الأشربة المتخذة من العسل والتين ونحوهما... مطلقا، قليلها وكثيرها ي وبه فتى وفي
الشامي: وهو قول الأئمة الثلاثة
“ইমাম মুহাম্মদ রাহ. ডুমুর, মধু ইত্যাদি দ্বারা তৈরি পানীয়কে হারাম বলেছেন। তার পরিমাণ কম হোক বা বেশি হোক (বর্তমানে ফেতনা-ফাসাদ বৃদ্ধি পাওয়ায়) ইমাম মুহাম্মদ রাহ. এর মতের উপর ফাতওয়া দেয়া হয়। ফাতাওয়ায়ে শামীতে আছে, ইমাম শাফে‘য়ী, আহমদ ও মালেক রাহ. ইমামত্রয়ের মতও এটি।”
আল্লামা আলাউদ্দীন হাসকাফী রাহ. আরো বলেন-
وقال محمد ما: أسكر كثيره فقليله حرام، وهو نجس أيضا وفي الشامي أن: نجاستها غليظة
“ইমাম মুহাম্মদ রাহ. বলেছেন, যেসব মাদকদ্রব্য অধিক পরিমাণ পান করলে নেশা সৃষ্টি করে সেসব মাদকদ্রব্য অল্প পরিমাণ পান করাও হারাম এবং নাপাকে গালিযা যা ব্যবহার করা নাজায়েয।” তবে ইমাম আবু হানীফা ও ইমাম আবু ইউসুফ রাহ. এর মতে দ্বিতীয় প্রকার (অর্থাৎ তিলা উপাদান দ্বারা তৈরি পানীয়) তখনই মদের অন্তর্ভুক্ত হবে, যখন তা নেশা সৃষ্টি হওয়ার পরিমাণে পৌঁছে। আর যদি নেশা সৃষ্টির পরিমাণে না পৌঁছে, তাহলে তা পান করা হারামহবে না। যেমন তাতারখানিয়াতে উল্লেখ আছে-
وإن اتخذ نبيذ من الشعير أو الذرة أو التفاح أو العسل واشتد وهو مطبوخ، أو غير مطبوخ، إنهف يجوز
ما شربه دون السكر عند أبي حنيفة وأبي يوسف رحمهما الله تعالى
“যদি জব, ভুট্টা, আপেল ও মধু দ্বারা মাদকদ্রব্য তৈরি করা হয়, তাহলে ঘন অবস্থায় তা সামান্য পরিমাণ অর্থাৎ যে পরিমাণ নেশা সৃষ্টি করে না সে পরিমাণ পান করা ইমাম আবু হানীফা ও ইমাম আবু ইউসুফ রাহ. এর মতে জায়েয, জ্বাল দেয়া হোক বা না হোক।”৯৭৫ সুতরাং দ্বিতীয় প্রকার উপাদান দ্বারা তৈরী এলকোহল মিশ্রিত সেন্ট সামান্য পরিমাণ ব্যবহার করা জায়েয এবং লেনদেন করাও বৈধ। যেমন আল্লামা শামী রাহ. বলেন-
وصح بيع غير الخمر أي عنده... الفتوى على في قوله الببع
“খমর ব্যতীত অন্য মাদক দ্রব্য বিক্রি করা আবু হানীফা রাহ. এর মতে জায়েয। আর বেচাকেনার মাসআলায় আবু হানীফা রাহ. এর মতের উপর ফাত্ওয়া।” বর্তমানে ঔষধ ও সেন্টে যে এলকোহল ব্যবহার করা হয়, তা দ্বিতীয় প্রকারভুক্ত। এজন্য
ইমাম আবু হানীফা ও আবু ইউসুফ রাহ. এর বর্ণনানুযায়ী অল্প পরিমাণ (যা নেশা সৃষ্টি করে না) ব্যবহার করে কোন জিনিস প্রস্তুত করলে তা হারাম ও নাপাক হবে না। বর্তমান যুগে সেন্ট, স্প্রে, ঔষধ ইত্যাদিতে عموم البلوىঅর্থাৎ ব্যাপকভাবে এলকোহল
ব্যবহার হয়। আর অধিকাংশ এলকোহল দ্বিতীয় প্রকার উপাদান দিয়ে প্রস্তুত করা হয়। সাধারণত সেন্টে যে পরিমাণ এলকোহল ব্যবহার করা হয় তা অল্প হওয়ায় ইমাম আবু হানীফা রাহ. ও ইমাম আবু ইউসুফ রাহ. এর মতের উপর ফতোয়া প্রদান করা শ্রেয়।৯৭৭ ইসলামিক ফিকহ একাডেমী ইন্ডিয়া এক সেমিনারে এলকোহল সম্পর্কে যে সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে তা নিম্নরূপ:
১. কিছু ঔষধে ‘ইথাইল’ এলকোহল ব্যবহার করা হয়। এই এলকোহল নেশা সৃষ্টিকারী এবং ঔষধে ব্যবহার হওয়ার পরেও তার হাকীকত পরিবর্তিত হয় না। চিকিৎসার ক্ষেত্রে শরী‘আত যে ছাড় দিয়েছে, সে হিসেবে একান্ত প্রয়োজনে এলকোহল মিশ্রিত ঔষধ ব্যবহার করা বৈধ।
২. আতরে যে এলকোহল ব্যবহার করা হয়, বিশেষজ্ঞদের গবেষণা অনুযায়ী তা নেশা
সৃষ্টিকারী নয়। এ জন্য তা নাপাক নয়।
শরয়ী দলীল:
জাদীদ ফিকহী তাহকীকাত: ১০/৪৫, কুতুবখানা নাঈমিয়া, দেওবন্দ, জাদীদ ফিকহী তাহকীকাত: ১০/৪৫-৪৭, কুতুবখানা নাঈমিয়া, দেওবন্দ , সহীহ মুসলিম: হাদীস নং ১৯৮৫, সহীহ মুসলিম: ২/২২ হেদায়া: ৪/৪৯২, মাকতাবায়ে আশরাফিয়া, দেওবন্দ, ফাতাওয়ায়ে শামী: ১০/৩২,মাকতাবায়ে যাকারিয়া, দেওবন্দ, ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী: ৫/৪১০, মাকতাবায়ে যাকারিয়া, দেওবন্দ, ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী: ৫/৪১০, মাকতাবায়ে যাকারিয়া, দেওবন্দ ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী: ৫/৪১০, মাকতাবায়ে যাকারিয়া, দেওবন্দ; মাজমাউল আনহুর: ৪/২৫১, দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যা, বৈরুত, লেবানন , ফাতাওয়ায়ে শামী: ১/৫২০, মাকতাবায়ে যাকারিয়া, দেওবন্দ , আদ্দুররুল মুখতার: ১০/৩৬, মাকতাবায়ে যাকারিয়া, দেওবন্দ, ফাতাওয়ায়ে শামী: ১০/৩৮ মাকতাবায়ে যাকারিয়া, দেওবন্দ , ফাতাওয়ায়ে তাতারখানিয়া: ১৮/৪৩৩, মাকতাবায়ে যাকারিয়া, দেওবন্দ, ফাতাওয়ায়ে শামী: ১০/৩৫, মাকতাবায়ে যাকারিয়া, দেওবন্দ, আহসানুল ফাতাওয়া: ৮/৪৮৪, ৪৮৮, মাকতাবায়ে যাকারিয়া, দেওবন্দ; ফাতাওয়ায়ে রহীমিয়া: ১০/১৫৭, মাকতাবায়ে যাকারিয়া, দেওবন্দ, জাদীদ ফিকহি তাহকীকাত: ১০/৩৮, মাকতাবা নাঈমিয়া, দেওবন্দ।

আলহামদুলিল্লাহ সুন্দর লিখেছেন
ReplyDelete